ভাইরাল ব্লগারের অতীত নিয়ে বিস্ফোরক অর্ক গাঙ্গুলি!
টলিউডের জনপ্রিয় প্রযোজনা সংস্থা ‘অর্গানিক প্রোডাকশন হাউস’-এর কর্ণধার অর্ক গাঙ্গুলির একটি সাম্প্রতিক পোস্ট ঘিরে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। জনৈক ভাইরাল ব্লগারের বিরুদ্ধে শিশুশি-ল্পীকে যৈ*ন নি-র্যাতনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
অর্ক গাঙ্গুলির কলমে সেই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ:
“সাম্প্রতিক সময়ে চর্চায় থাকা এক ভাইরাল ব্লগারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, কয়েক বছর আগে তিনি এক শিশুকে যৈ*ন হে-নস্তা করেছিলেন। ঘটনাটি ঘটেছিল একটি নামকরা প্রযোজনা সংস্থার জনপ্রিয় এক টিভি সিরিয়ালের সেটের মেকআপ রুমে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর শিশুর মা-সহ আরও অনেকেই তা জানতে পারেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি—যিনি তখন অভিনেতা ছিলেন এবং বর্তমানে একজন ব্লগার—সবার সামনে ক্ষমা চেয়েছিলেন, আর তারপরেই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়। ছোট ছেলেটির চোখের জল শুকিয়ে গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সে-ও বুঝে গিয়েছিল যে এভাবেই সব কিছুকে স্বাভাবিক করে নেওয়া হয়।
দুর্ভাগ্যবশত, সমাজ হিসেবে আমরা যৈ*ন নি-র্যাতনসহ নানা অপকর্ম ও হে-নস্তাকে স্বাভাবিক বলে মেনে নিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। ফিল্ম সেটগুলোও এর ব্যতিক্রম নয়।
মাঝেমধ্যে সমাজ হিসেবে আমাদেরও দায়বদ্ধতা থাকে সেই অপরাধীদের প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য যারা বারবার অপরাধ করার সাহস পায়। অপরাধের ধরন হয়তো বদলাতে পারে, কিন্তু এই নিষ্ঠুরতার পেছনের মনস্তত্ত্ব অনেক ক্ষেত্রেই একই থাকে।”
সরাসরি নাম উল্লেখ না করলেও নেটিজেনরা ইশারা বুঝতে ভুল করেননি। কমেন্ট সেকশনে বইছে সমালোচনার ঝড়। স্রেফ ক্ষমা চেয়ে কি এমন অপরাধ মুছে ফেলা সম্ভব? এই প্রশ্নই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।
ভাইরাল ব্লগারের অতীত নিয়ে বিস্ফোরক অর্ক গাঙ্গুলি!
টলিউডের জনপ্রিয় প্রযোজনা সংস্থা ‘অর্গানিক প্রোডাকশন হাউস’-এর কর্ণধার অর্ক গাঙ্গুলির একটি সাম্প্রতিক পোস্ট ঘিরে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। জনৈক ভাইরাল ব্লগারের বিরুদ্ধে শিশুশি-ল্পীকে যৈ*ন নি-র্যাতনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
অর্ক গাঙ্গুলির কলমে সেই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ:
“সাম্প্রতিক সময়ে চর্চায় থাকা এক ভাইরাল ব্লগারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, কয়েক বছর আগে তিনি এক শিশুকে যৈ*ন হে-নস্তা করেছিলেন। ঘটনাটি ঘটেছিল একটি নামকরা প্রযোজনা সংস্থার জনপ্রিয় এক টিভি সিরিয়ালের সেটের মেকআপ রুমে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর শিশুর মা-সহ আরও অনেকেই তা জানতে পারেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি—যিনি তখন অভিনেতা ছিলেন এবং বর্তমানে একজন ব্লগার—সবার সামনে ক্ষমা চেয়েছিলেন, আর তারপরেই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়। ছোট ছেলেটির চোখের জল শুকিয়ে গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সে-ও বুঝে গিয়েছিল যে এভাবেই সব কিছুকে স্বাভাবিক করে নেওয়া হয়।
দুর্ভাগ্যবশত, সমাজ হিসেবে আমরা যৈ*ন নি-র্যাতনসহ নানা অপকর্ম ও হে-নস্তাকে স্বাভাবিক বলে মেনে নিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। ফিল্ম সেটগুলোও এর ব্যতিক্রম নয়।
মাঝেমধ্যে সমাজ হিসেবে আমাদেরও দায়বদ্ধতা থাকে সেই অপরাধীদের প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য যারা বারবার অপরাধ করার সাহস পায়। অপরাধের ধরন হয়তো বদলাতে পারে, কিন্তু এই নিষ্ঠুরতার পেছনের মনস্তত্ত্ব অনেক ক্ষেত্রেই একই থাকে।”
সরাসরি নাম উল্লেখ না করলেও নেটিজেনরা ইশারা বুঝতে ভুল করেননি। কমেন্ট সেকশনে বইছে সমালোচনার ঝড়। স্রেফ ক্ষমা চেয়ে কি এমন অপরাধ মুছে ফেলা সম্ভব? এই প্রশ্নই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।